শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৫:২১ পিএম, ২০২৬-০১-২৬
মিলন উদ্দিন লস্কর, ,শিলচর ( আসাম) :
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যাঁদের অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকার কথা, আজ সেই পরিবারের উত্তরসূরিরাই নাগরিকত্ব প্রমাণের অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি—এমনই এক উদ্বেগজনক অভিযোগ উঠে এসেছে আসামের বড়খলা বিধানসভা এলাকার বুড়িবাইল দ্বিতীয় খণ্ড থেকে।
প্রয়াত হুরমত আলি বড়লস্কর ছিলেন একাধারে স্বাধীনতা সংগ্রামী, দেশভাগের দৃঢ় বিরোধী জাতীয়তাবাদী নেতা, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। এক সময়ের বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক 'আজাদ' পত্রিকার সম্পাদকও। হুরমত আলি ব্রিটিশ শাসনামলে শিলচরের পাব্লিসিটি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর দেশপ্রেম ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ভারত সরকার তাঁকে স্বাধীনতা সংগ্রামী পরিবারের সদস্য হিসেবে রৌপ্যপদক প্রদান করে সম্মানিত করে।
পরিতাপের বিষয়, সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও তাঁর দুই নাতি—আবুল হায়াত বড়লস্কর ও আবুল বরকত বড়লস্কর, যাঁরা উভয়েই রাজ্য সরকারের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাংবাদিক—আজ ভোটার তালিকা বিশেষ সংশোধনের নামে হয়রানির শিকার বলে অভিযোগ তুলেছেন।
উল্লেখ্য, এই দুই সাংবাদিকের কাছেই রয়েছে রাজ্যের জনসংযোগ বিভাগের ডিরেক্টর স্বাক্ষরিত আই-কার্ড, যা কঠোর পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বিরুদ্ধে ভূয়া অভিযোগ এনে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তারা ।
অভিযোগের সূত্রপাত হয়েছে সুরন্জন সরকার নামের এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে। অভিযোগকারীর পিতা চন্দ্রকুমার সরকার, যিনি সোনাই বিধানসভা এলাকাধীন নূতন কাঞ্চনপুর নিম্নপ্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের (৫৬৫ নং বিদ্যালয়, ১ নং কোটা) একজন ভোটর । অভিযোগপত্রে একটি ফোন নম্বর উল্লেখ থাকলেও, বারবার চেষ্টা করেও অভিযোগকারীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রশ্ন উঠছে—যাঁদের পরিবার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে, যাঁরা আজও গণতন্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধেই যদি পরিচয়হীন ও অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
স্থানীয় বুদ্ধিজীবী মহল ও সাংবাদিক সংগঠনগুলির মতে, ভোটার তালিকা বিশেষ সংশোধন একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হলেও তা যেন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিদ্বেষের হাতিয়ার হয়ে না ওঠে, সেদিকে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
স্বাধীনতার অমৃতকালে দাঁড়িয়ে এক স্বাধীনতা সংগ্রামী পরিবারের উত্তরসূরিদের এই অভিজ্ঞতা কেবল ব্যক্তিগত যন্ত্রণার গল্প নয়—এটি আমাদের গণতন্ত্রের বিবেকের কাছেও এক গভীর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : কলকাতা প্রতিনিধি : কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ঘটনার পর পুরো এলাকা এখনো থমথমে। চিক...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাপানের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ‘খুব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’ রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শিলচর, ( আসাম) : কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে প্রতিবেশী রাস্ট্র ভারতের অসম রাজ্যের  ...বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : : ভারতের মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১১ কোটি রুপি মূল্যের ৬ দশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর জানিয়েছে, বা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited